April 14, 2026
Screenshot 2026-04-14 132604

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নতুন প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত গত সপ্তাহের শান্তি আলোচনা ফলপ্রসূ না হলেও, পাকিস্তান এখন দ্বিতীয় দফার বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। সোমবার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান যে, ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। অন্যদিকে, জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, আলোচনা বেশ খানিকটা এগিয়েছে, যদিও পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

এই কূটনৈতিক তৎপরতা এমন এক সময়ে শুরু হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে এবং হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা তুঙ্গে। পাকিস্তান এই মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে ‘ডিপ্লোম্যাটিক ব্রিজ’ বা কূটনৈতিক সেতু হিসেবে কাজ করছে। ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত এই দ্বিতীয় দফার বৈঠকটি বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি পাকিস্তান সফলভাবে দুই পক্ষকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে বসাতে পারে, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে সহায়ক হবে। তবে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান লড়াই এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে মতপার্থক্য এই শান্তি প্রক্রিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববাজারের নজর এই আলোচনার দিকে, কারণ হরমুজ প্রণালীর স্থিতিশীলতার ওপর বৈশ্বিক তেলের দাম ও অর্থনীতি গভীরভাবে নির্ভরশীল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *