August 13, 2026
AAJ 2

প্রত্যেক বন্ধুমহলেই এমন একজন থাকেন, যাঁর কাছে অন্যরা নির্দ্বিধায় নিজেদের সমস্যা, দুঃখ কিংবা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করেন। ব্রেক-আপ থেকে পারিবারিক সমস্যা, আবার কর্মক্ষেত্রের ঝামেলা—যে কোনও পরিস্থিতিতে পরামর্শের জন্য বন্ধুরা তাঁর কাছেই ছুটে যান। সামাজিক মাধ্যমে এমন বন্ধুদেরই বলা হচ্ছে ‘থেরাপিস্ট ফ্রেন্ড’।
আপনার মধ্যেও কি রয়েছে এমন বৈশিষ্ট্য? কয়েকটি লক্ষণ দেখলেই তা বোঝা যায়।

অন্যের অনুভূতিকে নিজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন

অন্যদের ভালো রাখতে গিয়ে অনেক সময় নিজের পছন্দ-অপছন্দ বা মানসিক অবস্থাকে উপেক্ষা করেন। নিজের সমস্যার কথা কাউকে বলতে না পেরে ভিতরে ভিতরে চাপ অনুভব করলেও অন্যের পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যান।

যে কোনও সিদ্ধান্তে আপনার পরামর্শ চান বন্ধুরা

বন্ধুরা কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার মতামত জানতে চান। পরিস্থিতি বুঝে শান্তভাবে পরামর্শ দেওয়ার কারণে আপনার প্রতি তাঁদের আস্থা তৈরি হয়। তবে আপনার নিজের প্রয়োজনের সময় একই ধরনের সমর্থন সবসময় নাও মিলতে পারে।

‘না’ বলতে অস্বস্তি হয়

নিজে ক্লান্ত থাকলেও বা ব্যস্ততার মধ্যেও অন্যের সমস্যা শুনতে রাজি হয়ে যান। কাউকে হতাশ করতে না চাওয়ার কারণে প্রায় সবসময় সাড়া দেন। ফলে অনেক সময় বন্ধুরা আপনার ব্যক্তিগত সময় ও সীমারেখার বিষয়টি গুরুত্ব না-ও দিতে পারেন।

অন্যের সমস্যা নিজের দায়িত্ব মনে করেন

বন্ধুর সমস্যার কথা শুনেই থেমে থাকেন না, বরং সমাধানের দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নেন। দীর্ঘদিন এমন করতে থাকলে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

নিজের যত্নও জরুরি
বন্ধুর পাশে থাকা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে অন্যকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজের মানসিক সুস্থতাকে অবহেলা করা উচিত নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যক্তিগত সীমারেখা তৈরি করা জরুরি। নিজের সময় ও মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে তবেই অন্যকে সাহায্য করা উচিত। নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া স্বার্থপরতা নয়; বরং সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখার অন্যতম শর্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *