May 9, 2026
Screenshot 2026-05-09 124856

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনা নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবের বিষয়ে আজ রাতেই ইরানের কাছ থেকে চূড়ান্ত জবাব পাওয়ার আশা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, তেহরানের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্পের মতে, এই জবাবের ওপরই নির্ভর করছে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আসবে কি না। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আলোচনা প্রসঙ্গে জানান, তেহরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জটিলতার কারণে জবাবে কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে তারা একটি “গুরুতর প্রস্তাবের” প্রত্যাশা করছেন। এই সমঝোতা প্রস্তাবের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও মাঠপর্যায়ে উত্তেজনা কমেনি। গত শুক্রবার মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালীর কাছে দুটি ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালালে ইরান একে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করে। এর প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরান যদি দ্রুত এই চুক্তিতে সই না করে তবে ভবিষ্যতে তাদের আরও কঠোর সামরিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। বিশ্ববাজারের তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে এবং একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে এই সমঝোতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। আগামী সপ্তাহে ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পুনরায় বৈঠকের সম্ভাবনা থাকলেও সবকিছু এখন ঝুলে আছে ইরানের আসন্ন সেই জবাবের ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *