June 6, 2026
MALABAR

বিশ্ব ক্ষুধা দিবসে, মালাবার গ্রুপের একটি মানবিক উদ্যোগ ‘হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড’, তাদের ‘স্ট্রিট মিল ডিস্ট্রিবিউশন প্রোগ্রাম’ কর্মসূচির প্রভাব তুলে ধরে একটি পুনর্বাসন প্রভাবের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটির শিরোনাম ‘ইমপ্যাক্ট স্টোরিজ: হাউ আ ডেইলি মিল ওপেনস দ্য ডোর টু আ ট্রান্সফর্মড লাইফ’। এই প্রতিবেদনে নথিবদ্ধ করা হয়েছে যে কীভাবে প্রতিদিনের খাবার বিতরণ কর্মসূচি রাস্তায় বসবাসকারী দুর্বল ও অসহায় মানুষদের উদ্ধার করতে, চিকিৎসা সহায়তা দিতে, আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে মর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং পারিবারিক পুনর্মিলনে সাহায্য করে। এই কর্মসূচিটি ফিল্ড লেভেলে পরিচালনা করেছে ‘থানাল’। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই ‘স্ট্রিট মিল ডিস্ট্রিবিউশন প্রোগ্রাম’ শুরু করা হয়েছিল। যা বর্তমানে ভারতের ২০টি রাজ্য এবং জিসিসি-ভুক্ত ছয়টি দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জাম্বিয়াসহ মোট নয়টি দেশে পরিচালিত হচ্ছে। এর দুটি প্রধান কর্মসূচি ‘মাইক্রো লার্নিং সেন্টার’ এবং ‘স্ট্রিট মিল ডিস্ট্রিবিউশন প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে তাঁরা ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৪৩ হাজার উপভোক্তার কাছে পৌঁছেছে।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মালাবার গ্রুপের চেয়ারম্যান এম. পি. আহম্মদ বলেন, “’হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ কর্মসূচিটি প্রায়শই পুনর্বাসন, স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক সমর্থন এবং মর্যাদা পুনরুদ্ধারের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়। এই গল্পগুলো দুর্বল ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী সম্পৃক্ততার গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে।”

এই কর্মসূচির অধীনে একটি সাধারণ এক বেলার খাবার কীভাবে মানুষের জীবন পরিবর্তন করতে পারে তা প্রমাণিত হয়েছে বেশ কিছু বাস্তব ঘটনায়। যেমন, নাগেরকয়েলে বাসস্ট্যান্ডে খাবার পাওয়া এক বৃদ্ধকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা, কুম্বকোনমে এক শয্যাশায়ী ব্যক্তির মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার, চেন্নাইয়ে চরম দুর্দশায় থাকা এক নারীকে উদ্ধার, উডুপি থেকে চেন্নাইয়ে নিয়ে গিয়ে এক ব্যক্তিকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া এবং তিরুচিরাপল্লীতে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধের জরুরি চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। এই ঘটনাগুলো দেখায় যে, সহানুভূতি ও ধারাবাহিকতার সঙ্গে বিতরণ করা এক বেলার খাবারও মানুষকে যত্ন, মর্যাদা ও নিরাপদ জীবনের পথে পৌঁছে দিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *