দেখতে দেখতে কেটে গেল তিন তিনটে বছর, বিগত তিন বছর ধরে বেড়ে চলেছে অশান্তি, ঘরছাড়া হাজার হাজার মানুষ। প্রায় তিন বছর ধরে মণিপুরের এইঅবস্থায়, হিংসা থামার কোনও বিরাম নেই। কাংপোকপি, সেনাপিত, উখরুলে চলছে নাগাও কুকি গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। ২০২৩ সালের ৩ মে শুরু হয়েছিল মৈতেই-কুকি সংঘর্ষ।
পরিস্থিতি এমনই যে মৈতেই অধ্যুষিত ইম্ফল উপত্যকা ও কুকি অধ্যুষিত পাহাড়ি এলাকায় বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কেউ থাকে না। নাগারা কোনও পক্ষেই যোগ দেয়নি। সংঘর্ষ মূলত সীমাবদ্ধ ছিল মৈতেই-কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে। কিন্তু ২০২৬ সালের প্রথমদিকে পাহাড়ি এলাকায় শুরু হয় কুকিদের সঙ্গে নাগাদের সংঘর্ষ। নাগা-কুকি সংঘর্ষে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ১৩ মে চূড়াচান্দপুর জেলার তিন থাডৌ চার্জ নেতার সঙ্গে তাঁদের গাড়ির চালককেও হত্যা করা হয়। চার্চ নেতাদের হত্যার পর নাগা-কুকি সংঘর্ষ নতুন মোড় নেয়।
সেনাপতি জেলা থেকে ২৮ জন কুকিকে অপহরণ করা হয় আর উলটোদিকে কাংপোকপি জেলার লেইলোন ভাইফেই গ্রাম থেকে ২০ জন নাগাকে অপহরণ করা হয়। এর ফলে কুকি অধ্যুষিত কাংপোকপি জেলায় ব্যাপক প্রভাব পড়ে। বর্তমানে কাংপোকপি জেলায় এক বস্তা চালের দাম ৫ হাজার টাকা আর পেট্রল-ডিজেল বিক্রি হচ্ছে লিটার পিছু ২৫০-৩০০ টাকায়।
