গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলৈ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এলজিবিআইএ) জনসাধারণের ঘোষণায় ইংরেজি ও হিন্দির পাশাপাশি অসমিয়া ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন আসামের তিনজন বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। তাঁদের অভিযোগ, নবনির্মিত টার্মিনাল-২-এ বর্তমানে সব ধরনের ঘোষণা শুধুমাত্র ইংরেজি ও হিন্দিতে দেওয়া হচ্ছে, যা রাজ্যের প্রধান ভাষা অসমিয়াকে উপেক্ষা করছে।
এ বিষয়ে প্রধান বিমানবন্দর কর্মকর্তার কাছে যৌথভাবে চিঠি দিয়েছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিচালক কুলাধর শইকীয়া, সাবেক আইপিএস কর্মকর্তা জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী এবং অবসরপ্রাপ্ত আসাম সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা মুকুল চন্দ্র গগৈ। তাঁদের মতে, অসমিয়া শুধু আসামের সরকারি ভাষাই নয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের কাছেও বহুল ব্যবহৃত ও বোধগম্য।
চিঠিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় হিন্দি ও ইংরেজির পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই বিমানবন্দরের বর্তমান ব্যবস্থা সেই নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সাবেক কর্মকর্তারা আরও বলেন, জরুরি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র ইংরেজি ও হিন্দিতে ঘোষণা করা হলে অনেক যাত্রী বিভ্রান্ত হতে পারেন, যা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই যাত্রীসেবা, কার্যকর যোগাযোগ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ঘোষণায় অসমিয়া ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
