আসামের ডিগবইয়ের বগাপানি টি এস্টেট হাসপাতালের দীর্ঘদিনের কর্মরত ফার্মাসিস্ট কামেশ্বর কলিতার বিরুদ্ধে ওঠা ভুয়া শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার অভিযোগ নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিষয়টির তদন্তে মেডিক্যাল ইন্সপেক্টর অব প্ল্যান্টেশনস (এমআইপি)-এর প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে এস্টেট কর্তৃপক্ষ।
এস্টেট ব্যবস্থাপনা জানিয়েছে, কামেশ্বর কলিতা ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। তবে এমআইপি প্রতিবেদন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তাঁর বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। প্রতিবেদনটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জমা পড়তে পারে এবং এরপর তা কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
কর্তৃপক্ষের দাবি, চা-বাগানের একাংশ শ্রমিক কলিতাকে চাকরিতে বহাল রাখার আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
অভিযোগের সূত্রপাত হয় কলিতার শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা নিয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর। তদন্তে জানা যায়, তিনি পূর্বে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর জমা দিয়েছিলেন, বর্তমানে দাবি করা নম্বরের সঙ্গে তার মিল নেই। এ বিষয়টি হাসপাতালের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পরিদর্শনের সময় শনাক্ত করেন। বর্তমানে তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত সনদের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এমআইপি প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
