বিগত বেশ কিছুদিন ধরে ক্রমাগত বদলে চলেছে রাজ্যের আবহাওয়া। কখনো বৃষ্টি কখনো রোদ ঝলমল করেছে। বাড়তে থাকা নাজেহাল করা গরমের মাঝেই আবার ঝড় সহ বৃষ্টিপাত। এই পরিস্থিতিতে অসমে আবহাওয়া পরিবর্তন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, নদীর পাড় ভাঙন এবং বন্যাপ্রবণ এলাকায় মানুষের কাজকর্মের সক্রিয়তাই অসমের বন্যার মূল কারণ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
দিল্লির আবহাওয়া গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট ট্রেন্ডস-এর রিপোর্টে এসব কারণই উঠে এসেছে। ভৌগোলিক কারণেই ঐতিহাসিকভাবে অসম বরাবর বন্যাপ্রবণ। অসমের প্রায় ৪০ শতাংশ ভূমি রয়েছে বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে। পলিসমৃদ্ধ ব্রহ্মপুত্র ধারাবাহিকভাবে গতিপথ বদলাচ্ছে, ভাঙছে নদীর পাড় এবং নতুন নতুন এলাকা এর ফলে বন্যা প্লাবিত হচ্ছে।
সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী প্রাকৃতিক উপকরণ এবং এখন দ্রুত আবহাওয়া পরিবর্তন ও মানুষের কাজকর্মের সক্রিয়তা বন্যাকে নতুন করে ডেকে এনেছে। স্কাইমেট ওয়েদার-এর সহ-সভাপতি মহেশ পালাওয়াত বলেন, জুলাই মাসে বঙ্গোপসাগরে পর পর মৌসুমি হাওয়া গঠিত হয়েছে। এই হাওয়া থাকে সাগরের ওপরে, ধারাবাহিকভাবে আর্দ্রতা পাঠায় উত্তর-পূর্ব ভারতে, যার ফলে ভারী বৃষ্টি হয় এবং কখনো কখনো মেঘ ভাঙা বৃষ্টি দেখতে পাওয়া যায়।
