শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু পাড়াতে ১৯৬৪ সালে নির্মিত একটি বাড়িকে ঘিরে দীর্ঘদিনের শরিকি বিবাদের জেরে শনিবার বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হল। অভিযোগ, বাড়িটির একটি অংশ নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার পর বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়ি খালি করার নোটিশ দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বাড়ির মালিককে এক মাসের সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমার মধ্যে বাড়ি ওই অবৈধ অংশ না ভাঙ্গায় শনিবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের তরফে পদক্ষেপ করা হয়। পুরনিগমের কর্মীরা এসে বাড়িটির যে অংশটুকু অবৈধ বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল, সেই অংশ ভেঙে দেন।
বাড়ির মালিকের দাবি, বহু বছর আগে জমি ভাগাভাগির সময় জমির পরিমাণ নিয়ে কিছু গাফিলতি হয়েছিল। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে আদালতে মামলা হয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই মামলার পরিণতিতেই বর্তমানে বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হচ্ছে।
বাড়ির মালিক আরও জানান, আদালতের নির্দেশকে সম্মান করলেও তাঁকে যদি আরও কিছুটা সময় দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। শনিবার বাড়ির অংশ ভাঙার সময় তাঁকে দৃশ্যতই হতাশ ও ভেঙে পড়তে দেখা যায়। তবে এ বিষয়ে তিনি আর বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি।
অন্যদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশ এবং নির্দিষ্ট নোটিশের সময়সীমা মেনেই পুরনিগমের এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিনের শরিকি বিবাদের পর আইনি নির্দেশে শেষ পর্যন্ত দেশবন্ধু পাড়ার ১৯৬৪ সালের পুরনো বাড়ির একাংশ ভেঙে ফেলাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
