আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসব উপলক্ষে গুয়াহাটির পুজা কমিটিগুলির জন্য একগুচ্ছ কঠোর সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং নির্দেশিকা জারি করেছে প্রশাসন, যার মধ্যে পুলিশ ও দমকল বাহিনীর কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া এবং প্যান্ডেল চত্বরে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, মাইক বা সাউন্ড সিস্টেমের শব্দমাত্রা সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ৫৫ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে এবং রাত ১০টার পর উচ্চস্বরে গান বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, পাশাপাশি প্যান্ডেলে কোনো রকম অশ্লীল সংগীত বা আইটেম সং বাজানো যাবে না। পুজা কমিটিগুলিকে তাদের নিজ নিজ ভেন্যুতে সিসিটিভি ক্যামেরা ইনস্টল করতে হবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের বিস্তারিত তালিকা আগে থেকেই পুলিশের কাছে জমা দিতে হবে, যাদের সারা রাত প্যান্ডেল প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকতে হবে। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে পুজো মণ্ডপগুলিতে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা প্রবেশ ও প্রস্থান পথ, পৃথক সারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বের হওয়ার জন্য উপযুক্ত ইভাকুয়েশন ব্যবস্থার সংস্থান রাখতে হবে। বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়াতে প্রতিটি প্যান্ডেলে একজন অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ান থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বা অগ্নিনির্বাপক কাজ পরিচালনাকারী কর্মীদের আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে। মণ্ডপ প্রাঙ্গণকে কঠোরভাবে “তামাক মুক্ত” এবং “মদ মুক্ত” এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। শোভাযাত্রা বের করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি প্রয়োজন হবে এবং কোনো অবস্থাতেই প্যান্ডেল বা মণ্ডপগুলির কারণে রাস্তায় যানজট বা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। তাছাড়া, প্রতিমা বিসর্জনের সময় প্রতিটি পুজা কমিটি থেকে কেবল পাঁচজন সদস্যকে প্রতিমার সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
