দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন ‘ককরোচ’ পার্টির দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যারিকেড টপকে সেখানে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “গোটা দেশ এবার যন্তর মন্তর হবে।” তাঁর বক্তব্য, প্রতিবাদের স্থান বদল করা গেলেও মানুষের কণ্ঠস্বর রোধ করা সম্ভব নয়।
গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের তরফে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ সভা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দানে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার কথা জানানো হয়। মঙ্গলবার ভোরে ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কয়েকজন বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাঁদের আটক করে পুলিশ। বুধবার গ্রেপ্তারির খবর প্রকাশ্যে আসে।
প্রকাশ রাজ প্রশ্ন তুলেছেন, জাতীয় পতাকা হাতে যন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করায় বিক্ষোভকারীদের আটক করার প্রয়োজন হল কেন? বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে মহিলা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করা হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি ঘটনার সমালোচনা করেন।
তবে প্রকাশ রাজের মন্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমেও শুরু হয়েছে বিতর্ক। একাংশ তাঁর বক্তব্যকে প্রতিবাদের অধিকারের পক্ষে জোরালো অবস্থান বলে প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে, আইন অমান্য করে বিক্ষোভ দেখানোর বিরোধিতা করে অনেকে তাঁর সমালোচনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এ ধরনের আন্দোলনের জেরে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হতে পারে।
