কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস (CRS)-এর একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে ইরানের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর নেমে আসা ভয়াবহ ক্ষতির চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। এতে দেখা গেছে, অন্তত ৪২টি মার্কিন বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর সামগ্রিক পরিচালনা ও প্রতিস্থাপন ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। পেন্টাগনের তথ্য এবং সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রকাশিত বিবরণীর ওপর ভিত্তি করে সংকলিত এই অশ্রেণীবদ্ধ নথিতে “অপারেশন এপিক ফিউরি”-এর অধীনে—যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে পরিচালিত একটি যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযান ছিল—মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। এই মূল্যায়ন অনুযায়ী, উল্লিখিত ক্ষতিগুলো মূলত সরাসরি যুদ্ধসংঘাত, অভিযান চলাকালীন দুর্ঘটনা এবং মিত্র দেশগুলোর বিমানঘাঁটিতে ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্মিলিত ফলাফল। এই ক্ষতির সবচেয়ে বড় বোঝাটি বহন করতে হয়েছে মনুষ্যবিহীন আকাশযান বা ড্রোনগুলোকে; যুক্তরাষ্ট্র ২৪টি MQ-9 Reaper ড্রোন এবং একটি অত্যাধুনিক MQ-4C Triton নজরদারি ড্রোন হারিয়েছে। তবে, প্রতিবেদনটি আইনপ্রণেতাদের বিশেষভাবে হতবাক করেছে যখন এতে অত্যন্ত মূল্যবান ও মনুষ্যচালিত সামরিক সম্পদের ব্যাপক ক্ষতির বিষয়টি প্রকাশ পায়—যার মধ্যে রয়েছে ইরানের স্থলবাহিনীর গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত একটি অভিজাত F-35A Lightning II স্টেলথ যুদ্ধবিমান, চারটি F-15E Strike Eagle এবং সৌদি আরবের ঘাঁটিগুলোতে হামলার শিকার হওয়া সাতটি KC-135 Stratotanker জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান।
