আসামের খাদ্য, গণবণ্টন ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী কৌশিক রায় জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন, ২০১৩-এর আওতায় রাজ্য খাদ্য কমিশন দ্রুত গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবার এক বিভাগীয় পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা, গণবণ্টন ব্যবস্থা এবং ভোক্তা কল্যাণসংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত রাজ্য খাদ্য কমিশনে মোট সাতজন সদস্য থাকবেন। এর মধ্যে তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতির প্রতিনিধি এবং অন্তত দুজন নারী সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। কমিশন গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পর্যালোচনায় কৌশিক রায় আসাম ফুড অ্যান্ড সিভিল সাপ্লাইস করপোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিগন্ত দাসকে রাইস মিলগুলোর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেন। কোথাও অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী সংগ্রহ মৌসুম শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বিন্যাসেরও নির্দেশ দেন, যাতে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।
এছাড়া, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মসুর ডাল ও চিনি বিতরণ কর্মসূচির প্রস্তুতিও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়। আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ মুখ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও লজিস্টিক প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এই উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, গণবণ্টন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক সেবা আরও কার্যকর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে আসাম সরকার।
