আসামে টানা ভারী বৃষ্টি ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নতুন করে কোনো প্রাণহানির খবর না মিললেও প্রায় ১০ হাজার ৩৬২ দশমিক ৯ হেক্টর কৃষিজমি এখনো পানির নিচে রয়েছে, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিবসাগর ও চরাইদেও জেলায় জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) ১২তম ব্যাটালিয়নের ছয়টি দল, ১৮৬ জন সদস্য এবং ২৪টি নৌকা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া যোরহাটে এনডিআরএফের আরও দুটি দল উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এসডিআরএফ) সদস্যরাও চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাট ও গোলাঘাট জেলায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের (সিডব্লিউসি) তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে ব্রহ্মপুত্রসহ পাঁচটি প্রধান নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ) জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বন্যাপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
