বুধবার রাতে আচমকা ইনস্টাগ্রামে CJP-র অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেতে সমস্যা হয়। ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্টটি দেখাই যাচ্ছিল না। লাফিয়ে লাফিয়ে ফলোয়ার বাড়তে থাকায় অ্য়াকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়েছে কি না, কোনও ভাবে হ্যাক করা হয়েছে কি না, প্রশ্ন ওঠে। পরে যদিও ফের ইনস্টাগ্রামে দেখা যেতে শুরু করে। সেই নিয়ে বিভ্রান্তিও ছড়ায়। তার পর আরও দ্রুত গতিতে ফলোয়ার বাড়তে শুরু করে। মিম হিসেবে যাত্রা শুরু। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে, গুরুত্ব বাড়ছে ততই। ইনস্টাগ্রামে এবার দেশের শাসকদল বিজেপি, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকেও ছাপিয়ে গেল Cockroach Janta Party. বৃহস্পতিবার দুপুরে ইনস্টাগ্রামে তাদের ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৪১ লক্ষ। সেই তুলনায় বিজেপি-র ফলোয়ার ৮৭ লক্ষ। কংগ্রেসের ১ কোটি ৩৩ লক্ষ। এতদিন পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার ছিল কংগ্রেসেরই। এখনও পর্যন্ত CJP-র অ্যাকাউন্ট থেকে ৫৫টি পোস্ট এসেছে। যত দিন যাচ্ছে, সদস্য সংখ্যা বেড়েই চলেে CJP-র। হাই-প্রোফাইল রাজনীতিকরাও যোগ দিচ্ছেন একে একে।
এরই মধ্যে বুধবার রাতে আচমকা ইনস্টাগ্রামে CJP-র অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেতে সমস্যা হয়। ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্টটি দেখাই যাচ্ছিল না। লাফিয়ে লাফিয়ে ফলোয়ার বাড়তে থাকায় অ্য়াকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়েছে কি না, কোনও ভাবে হ্যাক করা হয়েছে কি না, প্রশ্ন ওঠে। পরে যদিও ফের ইনস্টাগ্রামে দেখা যেতে শুরু করে। সেই নিয়ে বিভ্রান্তিও ছড়ায়। তার পর আরও দ্রুত গতিতে ফলোয়ার বাড়তে শুরু করে।
CJP-কে নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েছে বলে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছেন, Cockroach Janta Party-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে। তাঁদের অনলাইন আন্দোলন আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, “ভিন্নমত থাকার জন্য আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হবে কেন?” তবে Meta–র তরফে সেই নিয়ে কিছু জানানো হয়নি এখনও পর্যন্ত।
সাধারণ মানুষ দলে দলে ইতিমধ্যেই CJP-তে যোগ দিতে শুরু করেছেন। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদও যোগ দিয়েছেন। এমনকি সমাজবাদী পার্টির প্রধান এবং সাংসদ অখিলেশ যাদবও CJP-প সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অখিলেশ লেখেন, ‘CJP বনাম BJP’। এমনকি বলিউড থেকেও অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় CJP-কে ‘ফলো’ করতে শুরু করেছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন কঙ্কনা সেনশর্মা, দিয়া মির্জা, অনুরাগ কাশ্যপ, এষা গুপ্ত। টেলি তারকা উরফি জাভেদ, কৌতূকশিল্পী কুণাল কামরা, পাঞ্জাবি গায়িকা হিমাংশী খুরা
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর একটি মন্তব্যের বিরোধিতা করেই CJP-র সূচনা। একটি মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বেকার ছেলেমেয়েদের ‘আরশোলা’, ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, বেকার ছেলেমেয়েরা যখন কিছু করতে পারে না, সাংবাদিকতা, RTI-এর মতো সমাজসেবামূলক এবং আইনের পেশায় প্রবেশ করে বলে মন্তব্য করেন CJI. বিতর্কে চরমে উঠলে CJI জানান, তাঁর মৌখিক পর্যবেক্ষণের ভুল ব্যাখ্যা করছেন অনেকে। যদিও তাঁর মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। আলোড়ন পড়ে যায় কার্যত।
