আসামে বন্যার প্রথম দফার আঘাতে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অব্যাহত ভারী বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা অতিরিক্ত পানির প্রবাহ এবং একাধিক নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেমাজি জেলা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৮৪টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং প্রায় ৯২০ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে চলে গেছে। বহু পরিবার খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও যোগাযোগ সংকটে ভুগছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ শিবিরও খোলা হয়েছে।
এদিকে, রঙ্গানদী নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় লাখিমপুর জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসডিআরএফ, এনডিআরএফসহ বিভিন্ন উদ্ধারকারী বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বাজালি জেলায় কালদিয়া নদীর বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ এবং বহু গবাদিপশু। একই সঙ্গে টানা বৃষ্টির কারণে জাতীয় সড়ক ৩১৫এ-তে একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, যা আসাম ও অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে যোগাযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে।
পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় প্রশাসন নদীতীরবর্তী ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
