February 10, 2026
AAJ 1

কিছু খাবার স্বাস্থ্যকর হলেও তা খেলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। কারণ সেই খাবারে থাকা কিছু উপাদান সবার ত্বকের জন্য উপযুক্ত নয়। ফলে মুখে  ব্রণ, ফুসকুড়ির পরিমাণ বাড়তেই থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘অ্যাকনে ট্রিগার’ বলা হয়। নিজের ত্বকের উপযোগী খাবার খেলে ক্ষতির সম্ভাবনা কমবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই নিজের ত্বকের প্রকৃতি বা চরিত্র সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

দুধে প্রচুর ক্যালশিয়াম ও প্রোটিন থাকলেও, গোরুর দুধে থাকা কিছু হরমোন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। এটি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব বাড়িয়ে দেয়, যা ব্রণর কারণ হতে পারে। বিশেষত, স্কিমড মিল্ক বা ফ্যাট-মুক্ত দুধ ব্রণের সম্ভাবনা দ্বিগুণ করে তোলে।  

হোয়ে প্রোটিন

যাঁরা নিয়মিত জিম ও বডি-বিল্ডিং করেন, তাঁদের অনেকেই প্রোটিন শেক হিসেবে হোয়ে প্রোটিন খান। পেশি গঠনে কার্যকরী হলেও, শরীরে আইজিএফ-১ নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে হোয়ে প্রোটিন। তাতে ত্বকের তৈলাক্ত গ্রন্থিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা ব্রণের সম্ভাবনা বাড়ায়।

মিষ্টি ফল ও অধিক শর্করাযুক্ত খাবার

অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় ফল – পাকা আম, কলা, খেজুর ইত্যাদি এবং অধিক শর্করাযুক্ত খাবার – সাদা ভাত বা পাউরুটি রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে। ফলে শরীরে প্রদাহ তৈরি হয়ে ব্রণের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ বীজ ও তেল

মাছ, আখরোট, তিসির বীজে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের জন্য উপকারী। কিন্তু কিছু বীজ বা উদ্ভিজ্জ তেল – সয়াবিন বা সূর্যমুখীর বীজের তেলে ওমেগা ৬ বেশি থাকায়, তা অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে শরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬-এর ভারসাম্যের অভাবও ত্বকের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ডার্ক চকোলেট

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ ডার্ক চকোলেটও ত্বককে ব্রণপ্রবণ করে তুলতে পারে। কারণ ডার্ক চকোলেট রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেকসময়ে অতি সংবেদনশীল করে তোলে। ফলে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ বেড়ে ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *