জল্পনা চলছিল বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই, অবশেষে তা সত্যি হতে চলেছে, নেওয়া হলো সিদ্ধান্ত। শিশু দত্তক নেওয়া এক মহৎ কাজ। শিশুকে দত্তক দেবার সময় শিশুর ভবিষ্যৎ, তার সুরক্ষা ও বড় হবার বিষয়ে যাতে কোন ত্রুটি ও গাফিলতি না থাকে সে বিষয়ে রাজ্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
সমাজের যেসকল ব্যক্তি শিশু দত্তক নিতে আগ্রহী তারা যাতে আরও সচেতন হন সে লক্ষ্যে সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তর নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা মন্ত্রী টিন্তু রায় আজ প্রজ্ঞাভবনের ৩নং হলে আয়োজিত শিশু দত্তক গ্রহণকারী ও সম্ভাব্য দত্তক গ্রহণকারী অভিভাবকদের নিয়ে একদিনের আলোচনাচক্রে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যে অনেক অনাথ ও অসহায় শিশু রয়েছে। রাজ্যে রয়েছে ৪৪টি হোম। এই হোমগুলিতে প্রায় ১ হাজার শিশু রয়েছে। দিব্যাঙ্গ, অনাথ ও হোমের শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খেলাধুলা প্রভৃতি পরিষেবা দেবার জন্য সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তর আন্তরিক রয়েছে।
