February 11, 2026
today news 1

আঁধারে পশ্চিম বর্ধমানের জঙ্গলমহলের একঝাঁক পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ। শিক্ষক অবসর নিতেই বন্ধ হয়ে গেল স্কুল। ক্ষোভপ্রকাশ করলেন অভিভাবকেরা। আর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি কটাক্ষ করে বলছে, এটাই বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি।  বর্ধমান জেলার কাঁকসার মলানদিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের একেবারে শেষ প্রান্তে গড়জঙ্গল মাঝে রয়েছে আদুরিয়া নামে ছোট্ট এক গ্রাম।  মানুষ এর বাস সেখানে। শিশুদের পড়াশোনার জঙ্গল পেড়িয়ে শিক্ষাকেন্দ্র। তবে কয় এক মাসখানেক আগে ওই শিক্ষাকেন্দ্র একমাত্র শিক্ষক অবসর নিয়ে ছেন বলে তার পর থেকে আর কোনও শিক্ষক আসেননি সেই শিক্ষাকেন্দ্র। শিক্ষকের অভাবে বন্ধই হয়ে যায় সেই শিশু শিক্ষাকেন্দ্র।

ওই শিক্ষাকেন্দ্র থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে সেই গ্রাম । সেখানকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে ছেন মলানদিধির পড়ুয়াদের। কিন্তু জঙ্গল পেরিয়ে ছয় কিলোমিটার দূরে শিশুরা কি ভাবে পড়াশোনা করতে যেতে পারবে অভিভাবকেরা বলে ছেন । গ্রামের সিংহভাগ মানুষ দিনমজুরির কাজ করে সংসার চালান। তাই বা কাজ ছেড়ে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে  জেতেই  বা কতদিন পারবে বা বাড়ি নিয়ে আসা তাঁদের পক্ষে কঠিন। তা হলে কি পড়াশোনা হবে না দিনমজুরির ছেলেমেয়েদের? প্রশ্ন তুলেছেন আদুরিয়ার বাসিন্দারা। তাঁরা রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের কাছে শিক্ষাকেন্দ্রটি পুনরায় খুলে দেওয়ার আর্জি করেছেন।  বিডিও-র কাছেও ওই একই আবেদন জানিয়ে ছেন।

জঙ্গলে হিংস্র জীবজন্তু রয়েছে। সেই জঙ্গল পেরিয়ে বাচ্চাদের পড়তে  আসা অসম্ভব হয়ে দারিয়ে ছে। গ্রামের শিশু শিক্ষাকেন্দ্রটি আগের মতো চলুক করা হক।শিক্ষকের অভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে যায়, এটা একটা রাজ্যেই সম্ভব। যদিও রাজ্যের মন্ত্রী আশ্বাস দিচ্ছেন। তারা  বলেন,আমরা অভিযোগ শুনেছি।  ওই শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে মাত্র ১৫ জন পড়ুয়া ছিল। ১৫ জনকে নিয়ে কী ভাবে স্কুল চালানো সম্ভব? তবুও   রাজ্যের মন্ত্রী বিষয়টি  ভেবে দেখবে বা ব্যবস্থা নেব বলে জানিয়ে ছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *