March 29, 2026
image 1

স্ত্রীকে খুন করার পর পৈশাচিক কীর্তি প্রাক্তন সেনাকর্তার। প্রথমে স্ত্রী দেহ বাথরুমে নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করেন। হাড় গুঁড়ো করেন হামানদিস্তায়। তারপর তিনদিন ধরে সেই দেহাংশই সেদ্ধ করেন প্রেসার কুকারে। অবশেষে নৃশংস কাণ্ড লুকোতে সেগুলো ফেলে দেন লেকে। কিন্তু রেহাই পাননি ওই অভিযুক্ত প্রাক্তন সেনাকর্তা। পুলিশের কাছে ধরা পড়ে নিজেই স্বীকার করেছেন সমস্ত কিছু। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পিটিআই সূত্রে খবর, গুরু মূর্তি নামে ৪৫ বছরের ওই ব্যক্তি আগে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। অবসরের পর এখন তিনি নিরাপত্তারক্ষী হিসাবে কাজ করেন। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে তাঁর স্ত্রী বেঙ্কট মাধবীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বহু খোঁজাখুঁজির পর ১৮ জানুয়ারি স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মাধবীর বাবা-মা। মনে করা হচ্ছিল, রোজকার অশান্তি থেকে রেহাই পেতে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন ওই মহিলা। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। প্রথম থেকেই তাদের সন্দেহ ছিল অভিযুক্ত গুরুর উপর। স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়া নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই অপরাধ স্বীকার করে নেন তিনি।

পুলিশ আধিকারিক নাগারাজু জানান, জেরায় গুরু দাবি করেছেন, স্ত্রীকে খুন করার পর প্রথমে তিনি দেহ টেনে নিয়ে যান বাথরুমে। সেখানে কুচি কুচি করে কাটার পর হাড় থেকে মাংস আলাদা করেন। হাড়গুলো গুঁড়িয়ে ফেলেন হামানদিস্তায়। বাকি অংশগুলো সেদ্ধ করেন প্রেসার কুকারে। এই কাজ তিনি তিনদিন ধরে করেন। এরপর সেই টুকরোগুলো ভাসিয়ে দেন গুঁড়ো মীরপেট লেকে। গুরুর দাবি মতো ওখানেই এখন মাধবীর দেহাংশ খুঁজছে পুলিশ। তল্লাশিতে নামানো হয়েছে পুলিশি কুকুরও। তবে বুধবার রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর সেখান থেকে কোনও দেহাংশ খুঁজে পায়ননি তদন্তকারিরা। কিন্তু কেন স্ত্রীকে এইভাবে খুন করলেন গুরু? জানা গিয়েছে, দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল তুঙ্গে। প্রায়ই স্ত্রীর গায়ে হাত তুলতেন গুরু। তবে এই খুনের আসল কারণ জানতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *