নির্বাচন কমিশন রাজ্যের সাত আধিকারিককে সাসপেন্ড করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ওই আধিকারিকদের কেউ চাকরিচ্যুত হচ্ছেন না। তবে তাঁরা আর নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন না।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এই সাত আধিকারিক জেলায় অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে যুক্ত থাকবেন এবং সেখানেই তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগানো হবে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এই ইস্যুতে রাজ্য-নির্বাচন কমিশনের টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়েছে। রাজনৈতিক মহলে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এখন নজর, পরবর্তী পদক্ষেপে কী অবস্থান নেয় প্রশাসন ও কমিশন।
