২০২৬ সালের বিশ্বের প্রথম ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে তৈরি হয়েছে। ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় হোরাসিও নামের এই ঝড় অল্প সময়ের মধ্যেই ঘণ্টায় ২৫৭ কিলোমিটার বেগে পৌঁছে গেছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি ‘র্যাপিডইনটেনসিফিকেশন’-এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ঝড়টির বায়ুর গতি প্রায় ১০৪ কিমি/ঘণ্টা থেকে বেড়ে ২৫৭ কিমি/ঘণ্টায় পৌঁছেছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের অস্বাভাবিক উষ্ণতা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতি এই দ্রুত শক্তিবৃদ্ধির প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বর্তমানে হোরাসিও ভারতের উপকূল থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে। ফলে সরাসরি দেশের ওপর প্রভাবের আশঙ্কা নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এ ধরনের দ্রুত তীব্রতা বৃদ্ধি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সাফির-সিম্পসন স্কেল অনুযায়ী, ক্যাটেগরি ৫ হল সর্বোচ্চ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়, যেখানে স্থায়ী বায়ুর গতি ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটারের বেশি হয়। এমন ঝড় ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস, প্রবল বৃষ্টিপাত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
যদিও আপাতত ভারত নিরাপদ দূরত্বে রয়েছে, তবু উষ্ণ সমুদ্র ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় অঞ্চলে পূর্ব সতর্কতা ব্যবস্থা ও দুর্যোগ প্রস্তুতি আরও জোরদার করা
