ঋতুরাজ হোটেলের প্রথম তলায় অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় অভ্যন্তরীণ কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার খুরশিদ আলমকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ফ্ল্যাটে দাহ্য পদার্থ পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত। পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের রান্নাঘরের পাশে বার সম্প্রসারণের কাজ চলছিল এবং আলমের শ্রমিকরা কর্মস্থলে আগুন জ্বালিয়ে রান্না করতেন। ফরেনসিক রিপোর্টেও রান্নাঘর থেকে আগুন লাগেনি বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, আলম শ্রমিক নিয়োগ করেছিলেন এবং কর্মস্থলে রান্নার ব্যবস্থা করেছিলেন। এছাড়া, সংস্কার কাজের জন্য প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত করেছিলেন, যা আগুনের কারণ হতে পারত। আলম যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেননি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আলমের আইনজীবী দাবি করেন, তার মক্কেল হোটেলের মালিক বা কর্মী নন, কেবল ইন্টেরিয়র ডিজাইনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং হোটেলে রান্নার অভিযোগের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। আদালত আলমকে ৭ মে পর্যন্ত পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে।
এর আগে, পুলিশ হোটেলের মালিক আকাশ চাওলা ও ম্যানেজার গৌরব কাপুরকেও গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অগ্নি নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনকে শনাক্ত করা গেলেও, শুক্রবার বাকি দু’জন বিশাল কুমার (২৫) ও সাহিল কুমারকে (২২) শনাক্ত করা হয়েছে।
Generate Audio Overview
