রাস্তার যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকা এখন বড় শহরগুলোর নিত্যদিনের ছবি। অফিস টাইমে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হওয়া থেকে শুরু করে জরুরি চিকিৎসায় জ্যামে আটকে প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটছে মাঝেমধ্যে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই দেশে চালু হতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘এয়ার ট্যাক্সি’ পরিষেবা।
কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিজ (সিআইআই)-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় একটি পাইলট করিডর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গুরুগ্রাম থেকে কনৌট প্লেস হয়ে নয়ডার জেওয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এই আকাশপথে ট্যাক্সি চলাচল করবে।
বর্তমানে যে পথ গাড়িতে যেতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে, এয়ার ট্যাক্সিতে সেই পথ পেরোনো যাবে মাত্র কয়েক মিনিটে। উদাহরণস্বরূপ, দিল্লি থেকে গুরুগ্রাম পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ৭ মিনিট। প্রাথমিকভাবে যাত্রীপিছু ভাড়া হতে পারে ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এই পরিষেবার জন্য আলাদা হেলিপ্যাডের প্রয়োজন হবে না। বড় হাসপাতাল, বাণিজ্যিক ভবন বা নির্দিষ্ট উঁচু ভবনের ছাদ থেকেই উড্ডয়ন ও অবতরণ সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’ পরিষেবায় এই এয়ার ট্যাক্সি কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে।
ডিজিসিএ-র কড়া নিয়ন্ত্রণে ধাপে ধাপে এই পরিষেবা বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে দিল্লি, বেঙ্গালুরু ও মুম্বইয়ের মতো যানজটপূর্ণ শহরগুলোর পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে এই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবা।
