দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের সেই তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার গভীর রাতে কেঁপে উঠল শ্রীনগরের নওগাম থানা। ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক পদার্থ পরীক্ষা করার সময় হঠাৎ করেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অনেকেই।
পুলিশ সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির একটি বিশেষজ্ঞ দল পুলিশের সঙ্গে মিলে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের নমুনা পরীক্ষা করছিল। সেই সময় আচমকা বিস্ফোরণে থানা চত্বর ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় থানার ভবন। আহতদের দ্রুত সেনাবাহিনীর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পরই ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকেরা থানায় পৌঁছে যান ও গোটা এলাকা সুরক্ষার কারণে ঘিরে ফেলা হয়।
দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে উঠে আসা জইশ-ই-মহম্মদের পোস্টারই ছিল নওগাম থানার পুলিশের প্রথম সূত্র। সেই সূত্র ধরে উঠে আসে সন্ত্রাসবাদের ‘ফরিদাবাদ মডিউল’। গত সোমবার হরিয়ানার ফরিদাবাদে বড়সড় জঙ্গি মডিউল ধ্বংস করার পর পুলওয়ামায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করে চিকিৎসক মুজ়াম্মিল শাকিল ওরফে মুসাইব-সহ কয়েক জনকে। যাঁরা চিকিৎসা ও অন্যান্য পেশার আড়ালে উত্তর ভারতে অর্থ জোগাড়, নিয়োগ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করছিল।
অন্যদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে শুক্রবার ভোররাত থেকেই উপত্যকা জুড়ে হানা দেয় কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স কাশ্মীর (সিআইকে)। বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে মোবাইল, ল্যাপটপ-সহ ২১টি ডিজিটাল ডিভাইস, যা ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের আলাদা আলাদা দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
